নিফটি অপশন ট্রেডিংয়ে সফল হতে হলে শুধু বাজারের দিক (Direction) বোঝাই যথেষ্ট নয়, সঠিক সময় নির্বাচন করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ট্রেডারের বিশ্লেষণ ভালো হওয়া সত্ত্বেও শুধুমাত্র ভুল সময়ে এন্ট্রি নেওয়ার কারণে তারা লাভ করতে পারেন না। তাই কোন সময়ে বাজার কেমন আচরণ করে-এগুলো জানা একজন ট্রেডারের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।
ভারতীয় শেয়ারবাজার সকাল ৯:১৫ মিনিটে খোলে। তার আগে প্রি-ওপেন মার্কেট থাকে। আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, বাজার খোলার পর প্রথম ১৫ মিনিটে ভীষণ পরিমাণ ভোলাটিলিটি থাকে। এই সময়টি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ—সাধারণত সকাল ৯:৩০ পর্যন্ত।
এই সময় আপনি যদি ট্রেড করতে চান, তাহলে একটি নির্দিষ্ট রোডম্যাপ তৈরি করে নিয়মিত তা অনুসরণ করা জরুরি। আর পেপার ট্রেডিং-এর মাধ্যমে প্র্যাকটিস করে অভিজ্ঞতা অর্জন করুন—যেটা ৯৯% মানুষ প্র্যাকটিস করে না বললেই চলে।
প্রতিদিন লক্ষ্য করুন—মার্কেট কোথায় সাপোর্ট তৈরি করছে। ধরুন, টানা তিন দিন বাজার নেগেটিভ ছিল এবং বারবার একই সাপোর্ট লেভেলে এসে দাঁড়াচ্ছে। সেক্ষেত্রে চতুর্থ দিনে, অর্থাৎ পরের দিন সকালে, প্রথম ১৫ মিনিটের ক্যান্ডেলকে একটি রোডম্যাপ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
দেখুন কী ঘটছে—মার্কেট ট্র্যাপ হচ্ছে কি না। একটি জিনিস সব সময় মাথায় ঢুকিয়ে রাখবেন—আপনারা কম পুঁজি নিয়ে ট্রেডিং করছেন, বিশেষ করে নিফটি অপশন ট্রেডিং। কারণ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রিমিয়াম ভ্যালু কমে যায়। অপশন ট্রেডিং-এ এক সেকেন্ডেরও মূল্য আছে।
মাথায় রাখবেন—এক সেকেন্ড অতিবাহিত হওয়া মানে আপনি যে বাইং প্রিমিয়ামে বসে আছেন, সেই প্রিমিয়ামের দাম কিছুটা হলেও কমবে।
নিফটি অপশন ট্রেডিং-এ উইকলি এক্সপায়ারি হয় এবং আরও বড় একটি ডিসঅ্যাডভান্টেজ হলো শনি ও রবি ছুটি। তাহলে আপনাদের হাতে মোটে ৫ দিন সময় থাকে।
এবার নিজেকে অ্যানালাইস করুন—আপনি কোন সময়ের প্লেয়ার।
কম সময়ের অর্থাৎ স্ক্যাল্পার,
না বেশি সময়ের অর্থাৎ পজিশনাল ট্রেডার,
নাকি আরও বেশি সময়ের অর্থাৎ সুইং ট্রেডার।
সেই অনুযায়ী ক্যান্ডেল অ্যানালাইস করতে হবে।
যদি আপনি স্ক্যাল্পার হন, তাহলে ২ মিনিটের চার্ট ব্যবহার করুন।
আর যদি পজিশনাল হন, তাহলে ৩০ মিনিটের চার্ট ব্যবহার করুন।
আর যদি আপনি সুইং ট্রেডার হন, তাহলে ১২৫ মিনিটের ক্যান্ডেল অ্যানালাইস করুন।
সাধারণত রিটেইল ট্রেডারদের মূলধন কম থাকে, তাই তারা বেশি সময় অপশন বাইং করে থাকেন। এই কারণে প্রতিদিন ট্রেড না করাই ভালো। যতটা সম্ভব বাজার পর্যবেক্ষণ করুন-কোথায় কী ঘটছে বুঝুন। সপ্তাহে একদিন ট্রেড করলেও যদি সঠিক পরিকল্পনা থাকে, সেটাই যথেষ্ট।
রিস্ক ম্যানেজমেন্টে স্বচ্ছ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ হন এবং বাজারের টাইমিং অনুসরণ করুন। সময় নিজেই আপনাকে ট্রেন্ড বলে দেবে।
রিটেইল ট্রেডারদের জন্য একটি সহজ টেস্ট:
ধরুন আপনার কাছে অল্প পুঁজি আছে। আপনি আউট-অফ-দ্য-মানি (OTM) অপশনে ২০০০ টাকার কম প্রিমিয়ামের একটি কল অপশন কিনলেন। সেটি ৩০ মিনিট হোল্ড করুন। দেখুন লাভ হচ্ছে না ক্ষতি হচ্ছে।
যদি ৩০ মিনিটে লস হয়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে এক্সিট করুন
এরপর একটি ইন-দ্য-মানি (ITM) পুট অপশন নিন
সেটি প্রায় এক ঘণ্টা ধরে রাখুন
অধিকাংশ সময় দেখবেন এতে লাভ হচ্ছে। নিয়মিত এই প্র্যাকটিস করলে আপনি বুঝতে পারবেন কোথায়, কখন এবং কীভাবে ট্রেড করতে হয়।
আর একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা-সকাল ১১টার পর নতুন এন্ট্রি নেবেন না। সর্বোচ্চ দুপুর ২টা পর্যন্ত এন্ট্রি নেওয়া যেতে পারে, তবে সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স সব সময় ১৫ মিনিটের টাইমফ্রেমে ফলো করবেন।
এই পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়মিত অনুসরণ করলে আপনি নিজেই ধীরে ধীরে টার্গেট, স্টপলস এবং ট্রেড ম্যানেজমেন্ট শিখে যাবেন।
১) নিফটি অপশন কীভাবে কাজ করে (সংক্ষেপে)
নিফটি অপশনে প্রতিটি স্ট্রাইক প্রাইসের সঙ্গে একটি প্রিমিয়াম থাকে। আপনি সেই প্রিমিয়াম কিনে বা বেচে ট্রেড করেন।
-
প্রিমিয়াম বাড়লে আপনি লাভে থাকেন (যদি কেনা থাকে)।
-
প্রিমিয়াম কমলে ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে।
ফলে নিফটি অপশন ট্রেডিং মূলত প্রিমিয়ামের ওঠানামাকে কেন্দ্র করে।
আরেকটা কথা মাথায় রাখবেন। প্রতিদিন ট্রেড করা আসলে বেশিরভাগ মানুষের জন্য বোকামির মতোই কাজ-বিশেষ করে আপনি যদি buyer হন। এখন প্রশ্ন হলো, তাহলে লাভ করবেন কীভাবে?
আসলে, Nifty option trading-এ টিকে থাকতে চাইলে একটাই রাস্তা আছে। প্রতিদিন বাজারকে মন দিয়ে observe করা।
ভাবুন তো, আপনি যদি নিয়ম করে মার্কেট ফলো করেন—কোথায় support কাজ করছে, কোন জায়গায় resistance থেকে দাম ঘুরছে-তাহলে ধীরে ধীরে একটা পরিষ্কার ছবি মাথায় তৈরি হবে। 15-minute timeframe দেখুন। বারবার দেখুন। প্রথমে একটু বিরক্ত লাগবে, কিন্তু বিশ্বাস করুন, কয়েকদিন পর নিজেই একটা roadmap পেয়ে যাবেন।
এরপর কী করবেন? প্রতিদিন ট্রেড নয়। বরং সেই দিনের সবচেয়ে পরিষ্কার সেটআপে, সামান্য risk নিয়ে একটা ট্রেড। এতে দুটো সুবিধা হয়-এক, অযথা trap-এ পড়ার chance কমে যায়। দুই, profit হওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ে। মাসে যদি এমন চারটা ট্রেড নেন, আর তার মধ্যে দুটো ঠিকমতো কাজ করে—তাহলেই আপনার জন্য যথেষ্ট।
তবে একটা জিনিস অবশ্যই করবেন। Stoploss লাগাবেন। এটা কোনো option না, বাধ্যতামূলক। কিন্তু target লাগাবেন না। হ্যাঁ, একটু অদ্ভুত শোনাতে পারে, কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি।
কারণ কী জানেন? অনেক সময় বাজারে fake volume দেখানো হয়। বড় বড় trader বা seller রা অনেক সময় buyer দের সঙ্গে চোখে চোখ রেখে খেলতে পারে। আপনি দেখবেন Nifty বাড়ছে, কিন্তু option premium সেভাবে বাড়ছে না। আবার উল্টো দিকেও হয়। হঠাৎ এক মিনিটের মধ্যে 40–50 point premium তুলে নেয়। এসব জায়গায় control থাকে মূলত বড় seller দের হাতে।
এখন প্রশ্ন হলো, তারা কি পুরোপুরি retail trader দের কথা ভাবেই না? হয়তো কিছুটা consider করে, হয়তো একেবারেই ছেড়ে দেয়-কে জানে। কিন্তু একটা জিনিস নিশ্চিত, retail trader হয়ে তাদের সঙ্গে লড়াই করতে গেলে শুধু লোভ করে লাভ হবে না।
এখানে দরকার mindset। এটাকে game হিসেবে ভাবতে হবে। আবেগ নয়, excitement নয়—শুধু setup, risk আর discipline। ঠিক যেভাবে একজন professional খেলোয়াড় মাঠে নামে, ঠিক সেভাবেই আপনাকে market-এ নামতে হবে।
তাহলেই ধীরে ধীরে ছবিটা বদলাতে শুরু করবে।
২) মার্কেট সেশন ও এদের বৈশিষ্ট্য
ভারতের শেয়ার বাজারের পুরো সময়টাকে সাধারণভাবে তিন ভাগে দেখা যায়—
Opening Session (সকাল ৯:১৫ – ১০:৩০)
এই সময় বাজার একেবারে ঝাঁপিয়ে পড়ে। হঠাৎ করে বড় বড় ক্যান্ডেল, দ্রুত আপ-ডাউন-সব মিলিয়ে ভীষণ ভলাটাইল থাকে। নতুন যারা ট্রেডিং শুরু করেছেন, তাদের জন্য এই সময়টা একটু বিপজ্জনকই বলা যায়। কারণ, চোখের পলকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। তবে অভিজ্ঞ ট্রেডারদের জন্য এখানেই সুযোগ লুকিয়ে থাকে।
একটা কথা খুব জরুরি-এই সময়ে গ্যাম্বলিং মানসিকতা নিয়ে ঢোকা যাবে না। আন্দাজে নয়, আগে থেকেই ঠিক করা strategy থাকতে হবে। কোন লেভেলে entry, কোথায় stoploss, আর টার্গেট কত-সব কিছু কনফার্ম করে তবেই কাজ করুন। না হলে বাজার আপনাকে সময় দেবে না।
Mid Session (১০:৩০ – ১:৩০)
এই সময় বাজার সাধারণত একটু শান্ত হয়ে আসে। খুব বড় মুভমেন্ট কম দেখা যায়। তাই অনেকের কাছেই এই সময়টা ট্রেডিংয়ের জন্য তেমন আকর্ষণীয় নয়।
আমি নিজে যতদিন এই সময় ট্রেড করেছি, একটা জিনিস বুঝেছি—profit book করা ভীষণ কঠিন। মুভমেন্ট কম থাকায় ট্রেড আটকে যায়, ধৈর্য পরীক্ষা নেয়। তাই না কাজ করাই অনেক সময় সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত। সব সময় ট্রেড করতেই হবে—এই চাপটা মাথা থেকে বের করে দিন।
Closing Session (১:৩০ – ৩:৩০)
দিনের শেষ ভাগে বাজার অনেক সময় একটা পরিষ্কার দিকনির্দেশনা দেখাতে শুরু করে। তখন ট্রেন্ড তুলনামূলকভাবে স্পষ্ট হয়। যারা ট্রেন্ড বুঝে কাজ করতে চান বা নিয়মিত প্র্যাকটিস করতে চান, তাদের জন্য এই সময়টা বেশ কার্যকর।
এই সময়ে অনেকের ভেতরে হঠাৎ করে গ্যাম্বলিং mentality চলে আসে—দিন শেষ, এখনই কিছু একটা করতে হবে। কিন্তু এখানেও একই কথা—strategy ছাড়া নয়। আগে বানানো সেটআপ বারবার ফলো করলে, বিশেষ করে scalping-এর জন্য, এই সময়টা ভালোভাবে কাজে লাগানো যায়।
শেষ কথা একটাই-সময় বুঝে ট্রেড করুন, আর নিজের মানসিকতা কন্ট্রোলে রাখুন। বাজার সব সময় সুযোগ দেবে, কিন্তু শুধু তাদেরই যারা প্ল্যান করে আসে।
৩) নিফটি অপশন ট্রেডিংয়ের সবচেয়ে কার্যকর সময়
সকাল ৯:১৫ – ১০:০০
সর্বোচ্চ ভোলাটিলিটির সময়
এই সময়ে বাজারে প্রচুর কেনাবেচা হয়।
সকালে লাইভ ক্যান্ডেল খুব দ্রুত উপরে–নিচে মুভ করে।
স্ক্যাল্পার বা যারা দ্রুত মুভমেন্ট ধরতে চান, তাদের জন্য এই সময় উপযোগী।
তবে ঝুঁকিও বেশি থাকে।
প্রচুর প্র্যাকটিস করে নিজের স্ট্র্যাটেজি তৈরি করার পরই ট্রেড করুন।
নিজের লস নেওয়ার ক্ষমতা আগে থেকেই নির্ধারণ করে রাখুন।
কত প্রফিটে আপনি সন্তুষ্ট, সেই টার্গেট ঠিক করে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন।
টার্গেট বা স্টপলস হিট হলে সঙ্গে সঙ্গে ট্রেডিং বন্ধ করুন।
১১:০০ – ১:৩০
স্থিতিশীল ট্রেন্ডের সময়
এই সময়ে বাজারে তুলনামূলকভাবে স্থির ট্রেন্ড দেখা যায়।
নতুন ট্রেডাররা এই সময় ক্যান্ডেল স্ট্রাকচার, ট্রেন্ড, সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স ভালোভাবে শিখতে পারেন।
এই সময়টিকে শেখার জন্য ব্যবহার করুন এবং বেশি করে ক্যান্ডেল পর্যবেক্ষণ করুন।
২:৩০ – ৩:১৫
ক্লোজিং মুভমেন্টের সময়
অনেক সময় দুপুরের পর পরিষ্কার পজিশনাল মুভমেন্ট তৈরি হয়।
ট্রেন্ড বোঝার জন্য এই সময়টি কার্যকর।
দ্রষ্টব্য:
এগুলো শুধুমাত্র শিক্ষামূলক ব্যাখ্যা, কোনো ধরনের বিনিয়োগ পরামর্শ নয়।
চাইলে এটাকে ফেসবুক পোস্ট, ইউটিউব স্ক্রিপ্ট বা একদম সংক্ষিপ্ত ভার্সনেও করে দিতে পারি।
৪) সঠিক সময় নির্ধারণে যেসব ডেটা বা ইনডিকেটর কাজে লাগে
ওপেন ইন্টারেস্ট (Open Interest – OI) পরিবর্তন
OI বাড়া বা কমা থেকে বোঝা যায় বাজারে নতুন পজিশন তৈরি হচ্ছে নাকি পুরনো পজিশন বন্ধ হচ্ছে।
তবে শুধুমাত্র OI-এর ওপর এক সেকেন্ডের জন্যও পুরোপুরি ভরসা করা উচিত নয়, কারণ এগুলো খুব দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে।
ভলিউম অ্যানালাইসিস (Volume Analysis)
যে স্ট্রাইক প্রাইসে আপনি ট্রেড করছেন, সেই স্ট্রাইকের ভলিউম অবশ্যই যাচাই করা দরকার।
অনেক ট্রেডার এটি অনুসরণ করতে ভুলে যান, কিন্তু বাস্তবে এটি সত্যিই কার্যকর।
সবুজ (Green) ভলিউম বেশি → ক্রেতা বেশি
লাল (Red) ভলিউম বেশি → বিক্রেতা বেশি
তবে শুধুমাত্র ভলিউম দেখে এন্ট্রি নেওয়া উচিত নয়, কারণ মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে।
প্রাইস অ্যাকশন (Support & Resistance)
নতুন ট্রেডাররা যখন সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স ঠিকভাবে বুঝতে শুরু করেন, তখন ট্রেডিংয়ে তাদের উন্নতি খুব দ্রুত ঘটে।
ইমপ্লাইড ভোলাটিলিটি (Implied Volatility – IV)
IV বুঝতে সাহায্য করে কোন পরিস্থিতিতে অপশনের প্রিমিয়াম বেশি বা কম হতে পারে।
৫) যে ভুলগুলো অবশ্যই এড়ানো উচিত
-
বাজার খোলার সাথে সাথে তাড়াহুড়া করে এন্ট্রি নেওয়া
-
গুরুত্বপূর্ণ নিউজের সময়ে ট্রেড করা
-
দিনে খুব বেশি ট্রেড করা
-
Stop-Loss ছাড়া ট্রেড করা
-
শুধুমাত্র “অনুভূতি” দিয়ে এন্ট্রি নেওয়া
৬) শিক্ষামূলক উদাহরণ (Case Example)
ধরা যাক —apni sokal dekchen
-
সময় 11:00–12:00, বাজারে ট্রেন্ড পরিষ্কার
-
OI-তে একদিকে build-up দেখা যাচ্ছে
-
সাপোর্ট ভেঙে গেছে
তখন অনেক ট্রেডার শিক্ষামূলকভাবে বুঝতে পারে বাজার কোন দিকে যেতে পারে।
(এটি কোনো ট্রেডিং পরামর্শ নয়; শুধুমাত্র শেখার উদ্দেশ্যে উদাহরণ।)
৭) উপসংহার
-
নিফটি অপশন ট্রেডিংয়ে সঠিক টাইমিং শেখা ধৈর্যের বিষয়।
-
প্রতিদিন বাজার পর্যবেক্ষণ করলে সময় নির্বাচন করা সহজ হয়।
-
ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা (Risk Management) সর্বদা সবার আগে।
-
বাজার সবসময় সুযোগ দেবে-তাই তাড়াহুড়া নয়, নিয়ম মেনে শিখুন।
.webp)
.jpg)